মেহজাবিন / ছবি: কবির হোসেন
তৌহিদা শিরোপা / লাক্সের বিজ্ঞাপনের পর এখন প্রচুর ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ২০০৯ এর লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার মেহজাবিন। আজ উত্তরা, কাল গাজীপুর... আর পরশু বাংলালিংকের ফটোশুটের জায়গাই ঠিক হয়নি। এই ব্যস্ত শিডিউলের ফাঁকেই প্রথম আলোর পাঠকদের জন্য সময় বের করে নিলেন তিনি। চলছিল মারুফ পাঠানের চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় নাটকের শুটিং। বিপরীতে সজল। প্রথমেই জিজ্ঞেস করি, কোন নায়কের সঙ্গে কাজ করে আনন্দ পান? ‘আমার কারও সঙ্গেই কাজ করতে ঝামেলা নেই। এই শুটিংয়ে যেমন সজল ভাইয়ার সঙ্গে মজা করছি!’ বলছিলেন মেহজাবিন। অনেক অনেক বছর পর লাক্সের বিজ্ঞাপনে বাংলাদেশি মডেল। কেমন লাগছে সব মিলিয়ে? কাজের অভিজ্ঞতাটাই বা কেমন? ‘লাক্সের মডেল হওয়াটা আমার জন্য অনেক সম্মানের। শুট হয়েছে মুম্বাইতে। অন্য রকম অভিজ্ঞতা। ওরা অনেক গুছিয়ে কাজ করে। দুই দিনের শুটিং ছিল।’ বিজ্ঞাপনটায় দেখলাম আপনার চুল অনেক লম্বা? ‘হা হা হা... ওটা আসল না। আমার চুল তো ছোট। শুটিংয়ে সময় চুলে এক্সটেনশন লাগাতে হয়েছিল।’ এখন ব্যস্ততা কী নিয়ে? ‘ঈদের নাটক করছি অনেকগুলো। ইউনিভার্সিটি নামের একটি ধারাবাহিক যাচ্ছে। এ ছাড়া বাংলালিংকে কাজ করছি। নতুন বিজ্ঞাপনের ফটোশুট, রিহার্সেল নিয়ে ব্যস্ত।’ আর সিনেমা? ‘পরবাসিনী তে কাজ করছি। পরিচালক আশা করছেন এ বছরের শেষ নাগাদ ছবিটি মুক্তি দেবেন। এটি সফল হলে আর দর্শক আমাকে ভালো ভাবে গ্রহণ করলে তবেই পরবর্তী সময়ে সিনেমায় ক্যারিয়ার করার কথা ভাবব।’ বিজ্ঞাপন, নাটক ও সিনেমা—কোন মাধ্যমে নিজেকে দেখতে বেশি ভালো লাগে? ‘বিজ্ঞাপনে।’ কেন? ‘বিজ্ঞাপনে নিজেকে নিয়ে অনেক নিরীক্ষা করা যায়। সময় নিয়ে চরিত্রের ভেতর ঢুকে কাজটা করতে পারি। বাজেট ভালো থাকে, তাই তাড়াহুড়া করে কাজ করতে হয় না। সবচেয়ে উপভোগ করি দর্শকদের সামনে থাকা। বিজ্ঞাপনের অন এয়ার বেশি হওয়ায় দর্শক আমাকে বেশি দেখছে। আর অন এয়ারে থাকতে কার না ভালো লাগে!’ অভিনয়ের পাশাপাশি মেহজাবিনের ফেসবুক আসক্তি চরম। ফোনে না পাওয়া গেলেও, ফেসবুকে সব সময় আছেন তিনি। ‘শুটিংয়ের ফাঁকে সময় কাটাতে ফেসবুকের আসলে জুড়ি নেই। ব্যস্ততার কারণে সবার সঙ্গে সব সময় দেখা করা সম্ভব হয় না। তবে সমস্যাও আছে। অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়াতে বেশ কয়েকবার বিপদে পড়তে হয়েছে। গোপনীয়তা রক্ষা করাটাই কঠিন।’ শোনা যাচ্ছে, এক নির্মাতার সঙ্গে আপনার জমাট প্রেম। সেটা কেন গোপন? ‘না না। গোপন কিছু নয়। আসলে এটি ঠিক প্রেম নয়। আমরা খুব ভালো বন্ধু।’ লেখাপড়া আর ক্যারিয়ারের বাইরে এখন আর কিছু নিয়েই ভাবতে চান না। বিয়ে তো দূরের কথা। এখন শান্ত-মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ে পড়ছেন। ‘আগেও নিজের পোশাক নিজে ডিজাইন করতাম। এখনো করি।’ অভিনয়ের বাইরে মেহজাবিনের আরেক গুণের কথা জানা গেল। এর মধ্যেই সজল তাঁর দৃশ্য শেষ করে ফেলেছেন। ডাক পড়ল মেহজাবিনের। (The Daily Prothom Alo / 23 May)
|
বিনোদন রিপোর্ট কান চলচ্চিত্র উৎসবের চতুর্থ দিনে সৌন্দর্যের দ্যুতি ছড়িয়েছেন ঐশ্বর্য রাইসব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে রোববার সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বর্য রাই বচ্চন ৬৬তম আন্তর্জাতিক কান চলচ্চিত্র উৎসবের লালগালিচায় হাঁটলেন। এ নিয়ে পরপর ১২ বছর ফ্রান্সের কান নগরীতে তিনি তার সৌন্দর্যের দ্যুতি ছড়ালেন। ঐশ্বর্য কানের লালগালিচায় উপস্থিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দর্শকরা তাকে করতালির মাধ্যমে বরণ করে নেয়। সেখানকার সংবাদকর্মীদের মধ্যেও ছবি তোলার হিড়িক পড়ে যায়। উৎসবে ঐশ্বর্য অ্যাম্বোডারির প্রিন্ট ও হাতাবিহীন কালো গাউন পরে হাজির হয়েছিলেন। হালকা লালচে চুলগুলো ঘাড়ের দুপাশ দিয়ে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। পায়ে পরেছিলেন হলুদ রঙয়ের জুতা। গত বছরের চেয়ে এবার তাকে অনেকটাই সস্নিম মনে হয়েছে। কানের লালগালিচায় ঐশ্বর্যের একমাত্র কন্যা আরাধ্য বচ্চনের হাঁটার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাকে দেখা যায়নি। এ নিয়ে দর্শকদের মধ্যে নানা কানাঘুষা চলছিল। এদিকে উদ্বোধনীর দিন উপস্থিত না থাকায় কানে ঐশ্বর্যের অংশগ্রহণের বিষয়ে দর্শকদের মধ্যে নানা দ্বিধা-দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছিল। তবে দর্শকদের মনের সব দ্বিধা-দ্বন্দ্ব দূর করে ঐশ্বর্য আবার কান উৎসবে তার রূপের ঝলকানি দেখালেন। ভারতের চলচ্চিত্রের শতবর্ষ পূর্তির বিশেষ পর্বে সম্মানিত অতিথি হিসেবে ঐশ্বর্য কান উৎসবে উপস্থিত হয়েছেন। এর আগে ২০০২ সালে 'দেবদাস' ছবিতে অনাবদ্য অভিনয়ের সুবাদে তিনি সর্বপ্রথম কান উৎসবে যোগ দিয়েছিলেন। এরপর প্রতিবছর কানকর্তৃপক্ষ তাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে আসছে। ঐশ্বর্য ছাড়াও ১৯ মে কানের লালগালিচায় আরো হেঁটেছেন জুরি বোর্ডের অন্যতম সদস্য বিদ্যা বালান, বলিউড হটগার্ল মলি্লকা শেরওয়াত, হলিউড অভিনেত্রী জেসিকা বিয়েল প্রমুখ। উল্লেখ্য, গত ১৬ মে কান শহরের দ্যা প্যালিস গ্র্যান্ড অডিটোরিয়ামে ৬৬তম আন্তর্জাতিক কান চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা উঠেছে। আগামী ২৬ মে বহুল আলোচিত এ উৎসবের পরিসমাপ্তি ঘটবে।
(The Daily Jaijaidin / 21 May)
স্টাফ রিপোর্টার: ‘কাগজের ফুল’ ছবির আউটডোর লোকেশন দেখতে গিয়েই সড়ক দুর্ঘটনায় মর্মান্তিকভাবে নিহত হয়েছেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ। তখন ধারণা করা হয়েছিল ‘কাগজের ফুল’ নিয়ে তারেক মাসুদের স্বপ্ন বিবর্ণ থেকে যাবে। কিন্তু সেটি আর হয়নি। সরকার ছবিটি নির্মাণে অনুদান দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সরকারি অনুদানে ‘কাগজের ফুল’ ছবিটি নির্মাণ করবেন তারেক মাসুদের প্রিয়তমা স্ত্রী, আরেক চলচ্চিত্র নির্মাতা ক্যাথরিন মাসুদ। সমপ্রতি তথ্য মন্ত্রণালয় যে ৭টি ছবিকে নির্মাণের জন্য অনুদান প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার মধ্যে প্রথমেই রয়েছে তারেক মাসুদের চিত্রনাট্য ও সংলাপে নির্মিতব্য ‘কাগজের ফুল’ ছবির নাম। ছবিটি নির্মাণের জন্য মন্ত্রণালয় নগদ এবং এফডিসির সুযোগ-সুবিধা সহ প্রায় ৩৫ লাখ টাকা অনুদান দেবে। ক্যাথরিন মাসুদ তথ্য মন্ত্রণালয়ের পত্র পাওয়ার পর ছবির শিল্পী কলাকুশলী মনোনয়নে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ‘কাগজের ফুল’-এর পাশাপাশি আর যে ৬টি ছবি অনুদানের জন্য নিশ্চিত হয়েছে সেগুলো হচ্ছে- সেলিম আলদিনের বিখ্যাত নাটক নিয়ে নারগিস আক্তারের ‘যৈবতী কন্যার মন’, আনিসুল হকের চিত্রনাট্য ও সংলাপ নিয়ে শাহ আলম কিরণের ‘একাত্তরের মা জননী’, আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের চিত্রনাট্য ও সংলাপ নিয়ে জাহিদুর রহমান অঞ্জনের ‘রেইনকোট’, খান শরফুদ্দিন মোহাম্মদ আকরামের চিত্রনাট্য, সংলাপ ও পরিচালনায় ‘খাঁচা’, হাসান আজিজুল হকের চিত্রনাট্য ও সংলাপ নিয়ে টোকন ঠাকুরের ‘কাঁটা’ এবং মান্নান হীরার চিত্রনাট্য, সংলাপ ও পরিচালনায় ‘একাত্তরের ক্ষুদিরাম’। এর মধ্যে পরিচালক নারগিস আক্তার অনুদান পাওয়ার পত্র হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে নেমে পড়েছেন। যিনি ‘যৈবতি কন্যার মন’-এর প্রধান ‘কালিন্দি’ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ২০-২২ বছরের একজন নায়িকা খুঁজছেন। যার গায়ের রঙ হবে কালো। নারগিস আক্তার জানান, নতুন নায়িকাটি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ছবির শুটিং শুরু করবেন। তিনি বলেন, ‘যৈবতি কন্যার মন’ নাট্যজন সেলিম আলদিনের এক অপূর্ব সৃষ্টি। এটাকে যথাযথভাবে পর্দায় আনার জন্য আমার চেষ্টার কোন কমতি থাকবে না। আমার বিশ্বাস, সেলিম আলদিনের মতো বিখ্যাত নাট্য ব্যক্তিত্বের সৃষ্টিকে আমি সুন্দরভাবে পর্দায় তুলে ধরতে পারবো। (The Daily Manabjamin / 20 May)
স্টাফ রিপোর্টার : ফেসবুকের মাধ্যমে সর্বসাধারণের কাছে একটি বিশেষ আবেদন জানালেন ন্যান্সি। আগে নিয়মিত না হলেও, সমপ্রতি ফেসবুকে সক্রিয় হয়েছেন সময়ের এই আলোচিত কণ্ঠশিল্পী। সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় এই মাধ্যমটি দিয়ে এখন তিনি নিয়মিত খবর রাখছেন চারপাশের, নিজের খবরটাও পৌঁছে দিচ্ছেন নিয়মিত। সেখানেই তিনি গেল মঙ্গলবার গানের কথা চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন সবার কাছে। তার সেই স্ট্যাটাসে লিখেছেন, আমি মায়ের জন্য একটি গান করতে চাই। আপনাদের মধ্যে যারা আগ্রহী তারা গান লিখে আমাকে পাঠান
এই ইমেইল ঠিকানা স্পামবট থেকে রক্ষা করা হচ্ছে।এটি দেখতে হলে আপনাকে JavaScript সক্রিয় করতে হবে।
এই ঠিকানায়। আপনাদের পাঠানো গান থেকে সেরা গানটি বেছে নিবো আমি। ফেসবুকে এমন আবেদন প্রসঙ্গে ন্যান্সি বলেন, মা যে কোন মানুষের জীবনেই অমূল্য ধন। গানের কথা দিয়ে মায়ের প্রতি ভালবাসার পুরোটা যথাযথভাবে প্রকাশ করা আদৌ সম্ভব নয়। তবুও চেষ্টা করছি, হারানো মার জন্য গানে গানে নিজের ভালবাসাটা প্রকাশের। মায়ের বেলায় প্রতিটি মানুষের আবেগ অনুভূতির সীমা নেই। সবাই তো কোন না কোন মায়ের সন্তান। সবারই এ নিয়ে অনেক কিছু বলার আছে। মায়ের জন্য মানুষের সেই আবেগ-অনুভূতির কথাগুলো থেকে অন্তত একটি অনবদ্য গান আমি কণ্ঠে তুলতে চাই। আমিতো গান-কবিতা লিখতে জানি না। তাই ফেসবুকে এমন আবেদন জানালাম। আশা করছি মায়ের জন্য আমার মনের ভালবাসা আর বেদনার গল্প উঠে আসবে এসব গানের কথায়। ন্যান্সি আরও বলেন, কোন বাণিজ্যিক চিন্তা কিংবা প্রচারণার জন্য আমি এই সিদ্ধান্ত নেইনি। আমি শুধু মাকে নিয়ে একটা অসাধারণ কথার গান গাইতে চাই। সরল ভাষায় মায়ের প্রতি ভালবাসার সর্বোচ্চ অনুভূতি আমি গানে গানে প্রকাশ করতে চাই। উল্লেখ্য, ন্যান্সি বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন। সেখান থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে ফিরবেন আজ। দেশে ফিরেই ‘মা’কে নিয়ে গান বাঁধতে বসবেন। (The Daily Manabjamin / 19 May)
স্টাফ রিপোর্টার: নাটকে ফিরেছেন মেহের আফরোজ শাওন। না। অভিনয়ে নয়। নির্মাণে। নব্বই দশকে হুমায়ূন আহমেদের ‘চোখ’ গল্প অবলম্বনে বিটিভির প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছিল বিখ্যাত নাটক ‘নিমফুল’। একই চিত্রনাট্য নিয়ে নতুন করে শাওন নির্মাণ করছেন নাটকটি। গতকাল সকাল থেকে এর শুটিং শুরু হয় নুহাশ পল্লীতে। তবে শুটিং শুরুর আগে জিয়ারত করা হয় হুমায়ূন আহমেদের কবর। শুটিং ইউনিটে নেমে আসে বিষণ্ন্নতা। বেলা ১২টা নাগাদ শুরু হয় নুহাশ পল্লীর বিভিন্ন লোকেশনে ‘নিমফুল’র দৃশ্য ধারণের কাজ। যাতে বেশির ভাগ দৃশ্যে অংশ নেন চঞ্চল চৌধুরী ও সহশিল্পীরা। জানা যায়, নাটকটির পুরো শুটিং আগামী দু’দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে এই নুহাশ পল্লীতেই। এদিকে ঐতিহাসিক এই নাটকটির মধ্য দিয়ে টানা দুই বছরের বিরতি ভাঙলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী এবং মেধাবী নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ পত্নী শাওন। তিনি সর্বশেষ নির্মাণ করেন ২০১১ সালের আগস্ট মাসে ‘মাঝে মাঝে তব দেখা পাই’ শীর্ষক একটি নাটক। লম্বা বিরতির পর নতুন করে ফের নির্মাণে ফেরা প্রসঙ্গে শাওন বলেন, গত দেড় বছর আমি মানসিকভাবে বেশ বিপর্যস্ত ছিলাম। তাই মানসিক শক্তি লাভের জন্যই পরিচালনার কাজটি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি আসলে নিজেকে হুমায়ূন আহমেদ এবং তার কাজের সঙ্গেই বাকি জীবনটা জড়িয়ে রাখতে চাই। ‘নিমফুল’ আমার জীবনের অন্যতম পছন্দের একটি নাটক। আমার মনে হচ্ছে, এই কাজের মধ্য দিয়ে হয়তো আমার মানসিক শক্তিটা ফিরে পাবো। ভিন্ন আবহে খুঁজে পাবো হুমায়ূন আহমেদকে। ওপারে থেকে উনি নিজেও হয়তো খুশি হবেন, তার প্রিয় এই নাটকটি নতুন করে নির্মাণ করছি বলে। শাওন আরও বলেন, আজ শুটিং শুরু করতে গিয়ে বার বার শুধু এটুকই মনে হচ্ছে, সবই আছে। অথচ মনে হচ্ছে কিছু নেই। প্রায়ই শুটিংয়ের ফাঁকে অন্যমনস্ক হয়ে যাচ্ছি। তবুও সান্ত্ব্তনা সে যেখানে শুয়ে আছেন, সেই প্রিয় নুহাশ পল্লীতেই আমরা সবাই আজ শুটিং করছি। নিশ্চয়ই তিনি আমাদের সঙ্গে আছেন। আমাদেরকে সঙ্গ দিচ্ছেন। এদিকে ৯০ দশকে নির্মিত ‘নিমফুল’ নাটকের প্রধান চরিত্রে মণা ডাকাতের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন আসাদুজ্জামান নূর। নাটকটি সমপ্রচারের পর সে সময় একজন ডাকাতের মর্মস্পর্শী গল্প এবং আসাদুজ্জামান নূরের অনবদ্য অভিনয়ে মুগ্ধ হয়েছিল প্রায় পুরো বাংলাদেশ। এখনও ছোট পর্দার জনপ্রিয় নাটকের তালিকায় অহরহ উঠে আসে ‘নিমফুল’র নাম। তবে নতুন করে শাওনের নির্দেশনায় নির্মাণাধীন এই নাটকের মূল চরিত্রে আসাদুজ্জামান নূরের পরিবর্তে অভিনয় করছেন চঞ্চল চৌধুরী। গতকাল নুহাশ পল্লী থেকে চঞ্চল চৌধুরী বলেন, এটা ঐতিহাসিক নাটক। চরিত্রটিও আমার কাছে ঐতিহাসিক বলে মনে হয়। আমার চোখে এখনও জ্বল জ্বল করে ভাসছে ওই নাটকে নূর ভাইয়ের অভিনয় এবং মর্মস্পর্শী দৃশ্যগুলো। অভিনয়ের মাধ্যমে একজন ডাকাতের অসহায়ত্ত্ব এবং কষ্ট কত নির্মমভাবে তুলে ধরা যায়, সেটা প্রথম জেনেছি ‘নিমফুল’-এ নূর ভাইর চরিত্রটি দেখে। ভয় হচ্ছে, সেই চরিত্রে এখন আমাকে অভিনয় করতে হচ্ছে। পারবো তো? খুশি হচ্ছি এমন একটি আগুন চরিত্র আমার ভাগ্যে জুটেছে। আমি এর মান রাখতে পারবো তো? চঞ্চল আরও বলেন, স্যারের সঙ্গে অনেক কাজ করেছি। আজ স্যারের ছায়ায় থেকে স্যারের অবর্তমানে অসাধারণ একটি কাজ করছি। স্যার নেই। আর ফিরবেন না শুটিং ইউনিটে। এসব কথা ক্ষণে ক্ষণে মনে হচ্ছে। শুটিং করতে কষ্টই হচ্ছে আমাদের। উল্লেখ্য, নাটকটিতে বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন জয়ন্ত চট্টপাধ্যায়, আগুন, শামীম শাহেদ প্রমুখ। জানা যায়, ‘নিমফুল’ নাটকটি আসছে ঈদে যে কোন বেসরকারি চ্যানেলে সমপ্রচার হবে। (The Daily Manabjamin / 19 May)
|
|