In this May 2013 file photo, Bangladesh Foreign Minister Dipu Moni, left, meets with Saudi Foreign Minister Prince Saud Al Faisal in Riyadh.
RIYADH: MD RASOOLDEEN; Wednesday 19 June 2013
Last Update 19 June 2013 2:51 am
Bangladesh Foreign Minister Dipu Moni arrived in Jeddah yesterday to request the Saudi government to extend the general amnesty period for Bangladeshi workers to give them more time to regularize their status.
Bangladesh Ambassador Mohamed Shahidul Islam told Arab News yesterday that Moni is leading a seven-member delegation on an official visit to the major cities of Jeddah, Riyadh and Dammam.
Moni is slated to hold talks with the State Minister of Foreign Affairs Iyad Obaid Madani in Jeddah today to discuss the current situation of Bangladesh workers.
“Our embassy has already requested the Saudi government to extend the amnesty period as the mission will not be able to complete the issuance of passports and correct the status of a large number of Bangladeshi workers within the stipulated period,” the envoy said, pointing out that the visiting foreign minister would personally confirm the request made by the embassy during talks with the state minister of foreign affairs here.
Following the proclamation of amnesty, Moni visited the Kingdom and conducted successful talks with senior Saudi officials to lift the ban on the transfer of sponsorship among Bangladeshi workers to facilitate the smooth implementation of the amnesty program.
The envoy said that Moni would also visit the job fair, which is taking place at the Bangladesh Consulate in Jeddah today. During her visit to Riyadh, Moni is scheduled to attend the Awards Night of the Bangladesh International School (English Section) tomorrow.
During this visit, the envoy said the foreign minister would interact with the community members to discuss their grievances.
Under the ongoing amnesty, a total of 1,66,480 Bangladesh expatriates have processed their documents at their country’s missions in Riyadh and Jeddah. The documents processed include the issuance of new passports, renewal of passports, out passes and 20,000 travel permits. Large contingents of officers from Dhaka have been seconded for services to assist the missions’ officials in Riyadh and Jeddah to complete their task in time.
In addition to these services offered in Riyadh, the mission has also organized consular services in Jubail, Al-Ahsa, Dammam, Al Jouf ,Saqaka and Al-Qassim.
The Jeddah consulate, which has processed 83,000 applicants, has also offered consular services in Khamis Mushayt, Jazan, Najran, Tabuk and Yanbu. Similar services have been arranged in Tabuk (again), Al-Baha and Madinah.
Endadul Haque, labor counselor at the Bangladesh Embassy said a job fair will be held at the on Wednesday and Thursday at Al-Fakhar Estreha in Riyadh. Around 15 companies have already consented to participate in the fair, he added.
বাহার উদ্দিন বকুল (রোদ্দুর-বাংলা প্রতিনিধি) ঃ ১৩ জুন, বৃহস্পতিবার বিকেলে থেকে জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট-এর তত্ত্ববধানে, চাকুরি-মেলার কার্যক্রম শুরু হয়। মান্যবার কনসাল জেনারেল মোঃ নাজমুল ইসলাম মেলায় আগত বিভিন্ন কোম্পানীর স্টল পরিদর্শন করেন এবং তাদেরকে সাধুবাদ জানান। তিনি চাকুরি প্রার্থীদেরকে নিজ যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার আলোকে চাকুরি খুঁজে নিয়ে যথা শীঘ্র স্পনসরশীপ পরিবর্তন সহ বৈধ হওয়া পরামর্শ দেন।
সৌদি আরবে বাংলাদেশীদের জন্যে স্পনসরশীপ পরিবর্তন সুবিধা সহ নানাভাবে অবৈধ হওয়া বাংলাদেশীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। রাতদিন পরিশ্রম করে জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট, চাহিদা অনুযায়ী পাসপোর্ট প্রদান করছেন বাংলাদেশীদেরকে। তবে একসাথে কয়েক লক্ষ বাংলাদেশীর চাকুরির সুযোগ সৃষ্টি দুরহ ব্যাপার। বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে, বাংলাদেশ কনস্যুলেট, জেদ্দা উদ্যোগী হয়ে আয়োজন করেছে মেলার। কনস্যুলেটের সন্নিকটে একটি উম্মুক্ত প্রাঙ্গনে অনেকগুলো কোম্পানী, যারা শ্রমশক্তি নিয়োগ দিতে ইচ্ছুক, তাবু খাটিয়ে বসেছেন এবং চাকারি প্রার্থীদের কাগজপত্র যাচাই-বাঁছাই করে চাকুরিতে নিয়োগ দিচ্ছেন। পেপসি-কোলা, আল-মাজাল, ইনিশ্যিয়াল সহ প্রায় চৌদ্ধ-পনেরোটি কোম্পানী মেলায় অংশগ্রহণ করেছে। এ মেলা সপ্তাহের শেষে প্রতি বৃহস্পতি ও শুক্রবার চলবে।
চাকুরি প্রার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, অনেক কোম্পানীই কম বেতন অপার দিচ্ছে। তারা এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যে অনুরোধ জানান। তবে আশা করা যায় আরও নতুন নতুন কোম্পানী মেলায় এসে চাহিদামত শ্রমিক নিয়োগ দিবে।
উল্লেখ্য যে, সৌদি মহামান্য বাদশাহ আবদুল্লাহ্ বিন আবদুল আজিজ-এর বদান্যতায় সৌদি আরব প্রবাসী বাংলাদেশীদের বহুল প্রতীক্ষিত তানাজুল (স্পনসরশীপ পরিবর্তন) সুবিধা সহ নানাভাবে অবৈধ হওয়া বাংলাদেশীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অত্যন্ত প্রশংসনীয় এ সুযোগের যথাযথ ব্যবহারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেদ্দা ব্যাপক কর্মতৎপরতা শুরু করেছে। হাজার হাজার পাসপোর্ট প্রার্থী এনআরবিকে বৈধ হওয়ার সুযোগ করে দিতে দিনরাত নিরলস কাজ করে চলেছে জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট কর্মকর্তা ও কর্মীবৃন্দ।
কনস্যুলেটের পাশাপাশি বহু সমাজকর্মী প্রচন্ড গরম উপেক্ষা করে, রোদে পুড়ে, ঘামে ভিজে মানুষকে স্বেচ্ছাশ্রম দিচ্ছেন। কেউ ফরম লিখে দিচ্ছেন। কেউ বুঝিয়ে দিচ্ছেন কোন সমস্যার জন্যে কি করতে হবে। কেউ শৃঙ্খলা রক্ষা করছেন, কেউবা সেই সকাল থেকে লাইনে দাড়ানো মানুষদের হাতে তুলে দিচ্ছেন পানি, রুটি, খাবার। সন্ধ্যায় ডেলিভারী কাজেও নিরলস কাজ করছেন সমাজকর্মীগণ। সমাজকমীগণের এ হৃদতার তুলনা চলেনা। সবার একটিই লক্ষ্য, একজন বাংলাদেশীও যেন এ সুযোগ থেকে বাদ না পড়েন।
রিয়াদ: অবৈধ শ্রমিকদের বৈধতায় সৌদি বাদশার দেওয়া তিন মাসের বিশেষ ক্ষমার মেয়াদ আরো বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।
সূত্রটি জানিয়েছে, সময় আরো কয়েক মাস বাড়ানো যায় কিনা সেটা মনিটরিং করছে মন্ত্রণালয়ের কমিটি। বিপুল সংখ্যক অবৈধ শ্রমিকদের জন্য তিন মাস সময় যথেষ্ট নয় বলে মনে করছে মন্ত্রণালয়।
এদিকে, বিশেষ সময়ের পর অবৈধদের গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান পরিচালনার খবর ব্যাপকভাবে প্রচার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রিয়াদ শ্রম অফিসের পরিচালক ফাহদ বিন আলী আল খিলাউই।
তিনি বলেন, “বিশেষ ক্ষমা ঘোষণার পর রিয়াদে এ পর্যন্ত সাড়ে চার লাখ থেকে পাঁচ লাখ শ্রমিক বৈধ হয়েছেন।”
আল খিলাউই গত রোববার রিয়াদ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের এক সভায় বলেন, “যারা অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশ করেছেন এবং ২০০৮ সালের ৩ জুলাইয়ের পর হজ, ওমরাহ এবং ভ্রমণ ভিসায় সৌদিতে এসেছেন তাদের কোনো অবস্থাতেই বৈধতা দেওয়া হবে না। চিরুনি অভিযানের মাধ্যমে তাদের গ্রেফতার করা হবে।”
ইন্দোনিশিয়ার দূতাবাস কর্মকর্তারা জানান, শ্রমিকদের বৈধতার মেয়াদ বাড়াতে সোমবার সৌদি সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।
উল্লেখ্য, সৌদি বাদশার বিশেষ ক্ষমার মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৩ জুলাই। এ সময়ের পর অবৈধ শ্রমিক ধরা পরলে তাকে দুই বছরের জেল এবং ১ লাখ রিয়াল জরিমানা করা হবে সূত্র:http://saudigazette.com.sa/index.cfm?method=home.regcon&contentid=20130611169435
তানজির আহমেদ রাসেল, লন্ডন থেকে : বিয়ে করছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি, বৃটিশ লেবার পার্টি কাউন্সিলার টিউলিপ সিদ্দিক। আগামী ৬ ও ৭ই জুলাই তাঁর বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে। শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিকের বিয়েতে যোগ দিতে আগামী ৪ঠা জুলাই লন্ডন আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন ও বৃটেন আওয়ামীলীগ টিউলিপ সিদ্দিকের বিয়ের ব্যাপারে কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসূচীতে ৫ই জুলাই বৃটেন আওয়ামীলীগের সঙ্গে সভা অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। আর ৬ ও ৭ জুলাই তারিখে - ব্যক্তিগত - কথাটি লিখা রয়েছে। সফরসূচীতে ৬ ও ৭ জুলাই ব্যক্তিগত কথাটি লিখা থাকায় ধারণা করা হচ্ছে এই দুই দিন বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। ৮ই জুলাই শেখ হাসিনা বেলারুশের উদ্দেশ্যে লন্ডন ত্যাগ করবেন। এদিকে টিউলিপ সিদ্দিকের হবু বর সম্পর্কে অফিসিয়াল কোন তথ্য পাওয়া না গেলেও একটি সূত্র জানায়, একজন পরিচিত শ্বেতাঙ্গকেই বিয়ে করতে যাচ্ছেন তিনি।
লেবার পার্টির রাজনীতিবিদ ক্যামডেন রিজেন্টস পার্ক ওয়ার্ডের কাউন্সিলার, ক্যামডেন কাউন্সিলের কমিউনিটিজ এন্ড কালচারাল ক্যাবিনেট মেম্বার টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক দক্ষিণ পশ্চিম লন্ডনের মেরটন কাউন্সিলের মিটচাম এলাকায় ১৯৮২ সালের ১৬ই সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহন করেন। তিনি বাংলাদেশ, ব্রুনেই, ভারত, সিঙ্গাপুর, স্পেনে বাল্যকাল কাটিয়েছেন। পশ্চিম লন্ডন থেকে ১৯৮৮ সালে তিনি উত্তর লন্ডনে চলে আসেন এবং এ-লেভেল সম্পন্ন করেন। টিউলিপ ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডন হতে ইংরেজী সাহিত্যের উপর আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী এবং কিংস কলেজ অব লন্ডন হতে মাষ্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন। ২০১১ সালে তিনি পলিটিক্স, পলিসি এন্ড গর্ভমেন্টের উপর দ্বিতীয়বারের মতো মাষ্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন। টিউলিপ সিদ্দিক ২০১০ সালের মে মাসে ক্যামডেন রিজেন্ট পার্ক ওয়ার্ডের প্রথম বাঙালি মহিলা কাউন্সিলার নির্বাচিত হন। তিনি অ্যামনেষ্টি ইন্টারন্যাশনাল, ফিলিপ গ্লউড এসোসিয়েশটস, সেভ দ্যা চিলড্রেন, বেথনাল গ্রীন এন্ড বো আসনের সাবেক লেবার এমপি ওনা কিং, টুটিং এলাকার লেবার এমপি ও সাবেক মন্ত্রী সাদেক খান, লেইটন ওয়ানস্টেড এলাকার সাবেক লেবার এমপি হেরী কোহেনের সঙ্গে কাজ করেছেন। ক্যামডেন ও ইজলিংটন এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাষ্টের গভর্ণর, কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন ইউকের সদস্য টিউলিপ সিদ্দিক লেবার লিডার এড মিলিবান্ডের ক্যাম্পেইন ও এমপি টিসা জোয়েলের পলিসি এডভাইজার হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। লেবার পার্টির ইয়ং লেবার অফিসার হিসেবে বর্তমানে কাজ করছেন টিউলিপ। আগামী পার্লামেন্ট নির্বাচনে তিনি তাঁর এলাকা হ্যামস্টেড ও কিলবার্ন থেকে লেবার পার্টির মনোনয়ন পেতে পারেন। (The Daily Manabjamin / 13 June)
জাতিসংঘ ভবনে গত বুধবার ফোর্বস ম্যাগাজিনের দেওয়া সম্মাননা অনুষ্ঠানে ধনকুবের ওয়ারেন বাফেটের সঙ্গে শানি্ততে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস / ছবি: ইউনূস সেন্টারের সেৌজন্যে
সামাজিক উদ্যোক্তা হিসেবে এবার বিশ্ববিখ্যাত ফোর্বস ম্যাগাজিনের আজীবন সম্মাননা পেলেন শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গত বুধবার জাতিসংঘ ভবনে এক জমকালো অনুষ্ঠানে তাঁকে এ সম্মাননা জানানো হয়। আর অধ্যাপক ইউনূস একা নন, তাঁর সঙ্গে ধনকুবের ওয়ারেন বাফেটও আজীবন সম্মাননা পুরস্কারে ভূষিত হন।
গত শুক্রবার ইউনূস সেন্টারের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্বের সর্বোচ্চ সম্পদশালী দুই শতাধিক ব্যক্তির সম্মেলনে আলোকিত দুই ব্যক্তিত্ব ইউনূস ও বাফেটকে আজীবন সম্মাননা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। সম্মেলনে জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন উপস্থিত থেকে সম্মানিত অতিথিদের স্বাগত জানান। তিনি এই অতিথিদের দারিদ্র্য নিরসন, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন ও পরিবেশের মতো বৈশ্বিক বিষয়গুলোতে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর বক্তব্যে বিশ্বের সর্বোচ্চ বিত্তশালী ব্যক্তিদের সামাজিক ব্যবসায় অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। তিনি বলেন, এই ফিলানথ্রোপি সম্মেলনে যাঁরা অংশ নিয়েছেন, তাঁদের দানের অর্থের ১০ শতাংশ প্রতিবছর যেন তাঁরা সামাজিক ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন।
ওয়ারেন বাফেট ছাড়াও সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি বিল গেটস এবং বিল অ্যাকমেন, বোনো, পল টিউডর জোন্স, পিটার জি পিটারসন, সোয়ার্স ম্যান, জেফ স্কল প্রমুখ।
সন্ধ্যায় ইউনূস ও বাফেটের সম্মানে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। একজন সামাজিক উদ্যোক্তা হিসেবে ইউনূসকে ‘আজীবন সম্মাননা পুরস্কার’ প্রদানের আগে মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর কাজের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন ফোর্বস ম্যাগাজিনের চেয়ারম্যান স্টিভ ফোর্বস। তিনি বলেন, ইউনূস দারিদ্র্য নিরসনে একজন অসাধারণ অনুঘটক। তিনি একজন অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, যিনি মানুষের প্রকৃতির শুভ দিকটির সংজ্ঞায়নে অনেক অবদান রেখেছেন।
ওয়ারেন বাফেটকে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার প্রদানের আগে তাঁকে পরিচয় করিয়ে দেন রক সংগীতের গুরু বোনো।
ইউনূস সম্পর্কে স্টিভ ফোর্বসের ঘোষণাকে টেনে এনে ওয়ারেন বাফেট তাঁর বক্তব্যে রসিকতা করে বলেন, ‘আগামীকাল বার্কশিয়ার হ্যাথঅ্যাওয়ের শেয়ার আকাশচুম্বী হবে। কেননা, মুহাম্মদ ইউনূসকে সিইও হিসেবে আমার উত্তরসূরি ঘোষণা করেছেন স্টিভ ফোর্বস। এমনকি বিল গেটস, যিনি আমার পরিচালনা পর্ষদের একজন সদস্য, তিনি এই তথ্য এখনো জানেন না।’
এ সময় সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিত্তশালী ব্যক্তিরা সমবেতভাবে দাঁড়িয়ে বিপুল করতালি দিয়ে অধ্যাপক ইউনূস এবং ওয়ারেন বাফেটকে অভিনন্দন জানান।
বিশ্বের সম্পদশালীদের সম্মেলনে সম্মাননা পেলেন ড. ইউনূস
মানবজমিন ডেস্ক: বিশ্বের সর্বোচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তিবর্গের সম্মেলনে সম্মাননা পেয়েছেন নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বিশ্বের দুই শতাধিক সর্বোচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তির সম্মেলনে গত ৫ই জুন জাতিসংঘ ভবনে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ও ওয়ারেন বাফেটকে আজীবন সম্মাননা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন উপস্থিত সম্মানিত অতিথিদের স্বাগত জানান এবং দারিদ্র্য নিরসন, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন ও পরিবেশের মতো বৈশ্বিক বিষয়গুলোতে ভূমিকা রাখার জন্য তাদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। জাতিসংঘে বিশ্বের সম্পদশালী ব্যক্তিদের এই সমাবেশের আয়োজন করে ফোর্বস ম্যাগাজিন। এর চেয়ারম্যান স্টিভ ফোর্বস বলেন, এই সম্মেলন কক্ষে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের সম্পদের পরিমাণ প্রায় অর্ধেক ট্রিলিয়ন ডলার।
মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বের সর্বোচ্চ বিত্তশালী ব্যক্তিবর্গকে সামাজিক ব্যবসায় অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান। প্রস্তাব করেন, এই ফিলানথ্রফি সম্মেলনে যারা যোগ দিয়েছেন তাদের দানের অর্থের ১০ শতাংশ প্রতি বছর তারা যেন সামাজিক ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন। ওয়ারেন বাফেট ছাড়াও এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিল গেটস, বিল এ্যাকমেন, বোনো, রে চেম্বার্স, পল টিউডর জোন্স, পিটার জি পিটারসন, সোয়ার্স ম্যান, এবং জেফ স্কল প্রমুখ। রবিনহুড-এর প্রতিষ্ঠাতা পল টিউডর জোন্স এবং ই-বে’র প্রতিষ্ঠাতা জেফ স্কল ও প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস প্লিনারি সেশনে বক্তব্য দেন।
সন্ধ্যায় মুহাম্মদ ইউনূস ও ওয়ারেন বাফেটের সম্মানে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। একজন সামাজিক উদ্যোক্তা হিসেবে মুহাম্মদ ইউনূসকে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার প্রদানের আগে মুহাম্মদ ইউনূস ও তার কাজের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে স্টিভ ফোর্বস বলেন, তিনি দারিদ্র্য নিরসনে একজন অসাধারণ অনুঘটক, একজন অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, যিনি মানুষের প্রকৃতির শুভ দিকটির সংজ্ঞায়নে অনেক অবদান রেখেছেন। সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিপুল বিত্তশালী ব্যক্তিবর্গ সমবেতভাবে দাঁড়িয়ে বিপুল করতালি দিয়ে প্রফেসর ইউনূস ও ওয়ারেন বাফেটকে অভিনন্দন জানান। (The Daily Prothom Alo / 9 June)
