মাসুদ করিম (সমকাল প্র্রতিবেদক): সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশের কর্মীরা অতিমাত্রায় অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটি। এক্ষেত্রে 'বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী অপরাধ কার্যক্রমে জড়িত' বাংলাদেশি কর্মীদের একটি তালিকা জরুরি ভিত্তিতে সৌদি আরবের কাছে হস্তান্তর করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশের কর্মী প্রেরণের সময় সঠিক কর্মী বাছাইয়ে গৃহীত পদ্ধতির স্বচ্ছতার বিষয়ে সৌদি সরকারকে অবহিত করার জন্য সৌদি আরবের তরফ থেকে বাংলাদেশের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। সম্প্রতি সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া গ্রুপের মধ্যে
সংঘর্ষের পর দেশটি শুধু ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িতই নয়, সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশি শ্রমিকদের মধ্যে থাকা অপরাধীদের তালিকা প্রণয়নের মাধ্যমে তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর ইঙ্গিত দিয়েছে।
সৌদি সরকারের স্বরাষ্ট্র উপমন্ত্রী ড. আহমেদ আল সালিম সম্প্রতি রিয়াদে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শহীদুল ইসলামকে মন্ত্রণালয়ে ডেকে নিয়ে অপরাধীদের তালিকা প্রণয়নের এ আহ্বান জানান। বৈঠকে উপমন্ত্রীর সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এবং রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে শ্রম কাউন্সিলর ড. এমদাদুল হক ও কাউন্সিলর (রাজনৈতিক) মোহাম্মদ আইয়ুব উপস্থিত ছিলেন। এদিকে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া গ্রুপের বাংলাদেশিদের মধ্যে সংঘর্ষের তদন্ত প্রতিবেদন ঢাকায় পাঠিয়েছে রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। উদ্ভূত এ পরিস্থিতির মধ্যেই রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান সৌদি কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে আগামী ১৪ ও ১৫ আগস্ট মুসলিম উম্মাহ সংক্রান্ত বিশেষ এক সম্মেলনে যোগ দিতে সৌদি আরব যাচ্ছেন। জাতীয় শোক দিবস হওয়ায় ১৫ আগস্ট রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে যান না; কিন্তু সৌদি আরবের পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রিয়াদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে মক্কা সম্মেলনে রাষ্ট্রপতির অংশগ্রহণের পক্ষে মত দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্বরাষ্ট্র উপমন্ত্রী ড. আহমেদ আল সালিম বাংলাদেশের শ্রমমন্ত্রীর সঙ্গে তার আলোচনার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত শহীদুল ইসলামকে বলেন, সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের সদিচ্ছাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে থাকে। তিনি উল্লেখ করেন, সৌদি আরবে বর্তমানে প্রায় ৭০ লাখ বিদেশি কর্মরত। এর মধ্যে ১২ লক্ষাধিক কর্মীই বাংলাদেশের। সৌদি আরবের বর্তমান নীতিমালা অনুসারে মোট বিদেশি শ্রমিকের শতকরা ১০ ভাগের বেশি একটি দেশের থাকতে পারে না। সে হিসাব অনুযায়ী এরই মধ্যে সৌদি আরবে বাংলাদেশের কর্মী সংখ্যা নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি।
সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র উপমন্ত্রী ড. আহমেদ আল সালিম বৈঠকে উল্লেখ করেন, এমনকি বাংলাদেশের শ্রমমন্ত্রীর সৌদি আরব সফরের পরপরই বাংলাদেশে কর্মরত সৌদি দূতাবাসের এক কর্মকর্তা খালাফ আলির মৃত্যু তার সরকারকে হতাশ করেছে। এ ব্যাপারে আজ অবধি দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি সাধিত হয়নি। তবে তিনি উল্লেখ করেন, বিষয়টি গণমাধ্যমে অধিক প্রচারের ফলে উভয় দেশের জনগণের মধ্যে যাতে কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি না হয় সে ব্যাপারে সৌদি সরকার শুরু থেকেই সতর্ক ছিল। ফলে সৌদি গণমাধ্যমে এ বিষয়ে দৃশ্যমান সংবাদ পরিবেশিত হয়নি।
সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকের পর রিয়াদে নিযুক্ত বাংলাদেশের কাউন্সিলর (শ্রম) ড. এমদাদুল হক প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. জাফর আহমেদ খানের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ থেকে আগত শ্রমিকরা সৌদি আরবে এসেই পালিয়ে নির্ধারিত কোম্পানির বাইরে অবৈধভাবে কাজ করে এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। এ জন্য তিনি অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় এবং কর্মী বাছাইয়ের অস্বচ্ছতাকে দায়ী করেন। বাংলাদেশের শ্রমমন্ত্রীর সৌদি আরব সফরের পর সৌদি আরবে অধিক হারে বাংলাদেশের জনশক্তি প্রেরণ ও শ্রমবাজার উন্নয়নের লক্ষ্যে উপর্যুক্ত বিষয়গুলোসহ জনশক্তি বাছাইয়ে অপরাধীদের অ্যান্টিসিডেন্ট পরীক্ষা, স্ক্রিনিং কাজে স্বচ্ছতা, স্মার্টকার্ড চালুর সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে সৌদি উপমন্ত্রী জানতে চান।
সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া গ্রুপের সংঘর্ষের তদন্ত প্রতিবেদন
সৌদি আরবের রিয়াদের হাইয়াল ওজারা (হারা) এলাকায় ৪, ৫ ও ৬ জুলাই বাংলাদেশি নাগরিকদের সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া গ্রুপ দফায় দফায় হামলা-পাল্টা হামলা ও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। হাঙ্গামাকালে উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে লাঠিসোটা, কিরিচ, রামদা প্রভৃতি ব্যবহার করে। এতে ছয় বাংলাদেশি গুরুতর আহত হন। এ ঘটনার পর সৌদি পুলিশ ওই এলাকায় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রায় ৬০ বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করে। আহত ছয় বাংলাদেশি বর্তমানে রিয়াদে অবস্থিত সেন্ট্রাল হাসপাতালে (সমুচি হাসপাতালে) এবং আল ইমান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ঘটনার তদন্ত করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. জাফর আহমেদ খানের কাছে পাঠানো প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করে। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, হারা রিয়াদ শহরের একটি বাণিজ্যকেন্দ্র। এখানে অনেক বাংলাদেশির ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। রিয়াদে বসবাসরত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগের বাসস্থান এ এলাকায়। হারা এলাকায় বসবাসকারী প্রবাসীদের মধ্যে কিছুসংখ্যক বাংলাদেশি স্থানীয় ম্যান পাওয়ার ব্যবসা, থাইল্যান্ড লটারি, ফানা লটারিতে জড়িত বলে জানা যায়। তাদের কেউ কেউ নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। (সূত্র: সমকাল ২৬/১২/২০১২)
সংঘর্ষের পর দেশটি শুধু ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িতই নয়, সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশি শ্রমিকদের মধ্যে থাকা অপরাধীদের তালিকা প্রণয়নের মাধ্যমে তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর ইঙ্গিত দিয়েছে।
সৌদি সরকারের স্বরাষ্ট্র উপমন্ত্রী ড. আহমেদ আল সালিম সম্প্রতি রিয়াদে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শহীদুল ইসলামকে মন্ত্রণালয়ে ডেকে নিয়ে অপরাধীদের তালিকা প্রণয়নের এ আহ্বান জানান। বৈঠকে উপমন্ত্রীর সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এবং রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে শ্রম কাউন্সিলর ড. এমদাদুল হক ও কাউন্সিলর (রাজনৈতিক) মোহাম্মদ আইয়ুব উপস্থিত ছিলেন। এদিকে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া গ্রুপের বাংলাদেশিদের মধ্যে সংঘর্ষের তদন্ত প্রতিবেদন ঢাকায় পাঠিয়েছে রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। উদ্ভূত এ পরিস্থিতির মধ্যেই রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান সৌদি কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে আগামী ১৪ ও ১৫ আগস্ট মুসলিম উম্মাহ সংক্রান্ত বিশেষ এক সম্মেলনে যোগ দিতে সৌদি আরব যাচ্ছেন। জাতীয় শোক দিবস হওয়ায় ১৫ আগস্ট রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে যান না; কিন্তু সৌদি আরবের পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রিয়াদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে মক্কা সম্মেলনে রাষ্ট্রপতির অংশগ্রহণের পক্ষে মত দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্বরাষ্ট্র উপমন্ত্রী ড. আহমেদ আল সালিম বাংলাদেশের শ্রমমন্ত্রীর সঙ্গে তার আলোচনার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত শহীদুল ইসলামকে বলেন, সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের সদিচ্ছাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে থাকে। তিনি উল্লেখ করেন, সৌদি আরবে বর্তমানে প্রায় ৭০ লাখ বিদেশি কর্মরত। এর মধ্যে ১২ লক্ষাধিক কর্মীই বাংলাদেশের। সৌদি আরবের বর্তমান নীতিমালা অনুসারে মোট বিদেশি শ্রমিকের শতকরা ১০ ভাগের বেশি একটি দেশের থাকতে পারে না। সে হিসাব অনুযায়ী এরই মধ্যে সৌদি আরবে বাংলাদেশের কর্মী সংখ্যা নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি।
সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র উপমন্ত্রী ড. আহমেদ আল সালিম বৈঠকে উল্লেখ করেন, এমনকি বাংলাদেশের শ্রমমন্ত্রীর সৌদি আরব সফরের পরপরই বাংলাদেশে কর্মরত সৌদি দূতাবাসের এক কর্মকর্তা খালাফ আলির মৃত্যু তার সরকারকে হতাশ করেছে। এ ব্যাপারে আজ অবধি দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি সাধিত হয়নি। তবে তিনি উল্লেখ করেন, বিষয়টি গণমাধ্যমে অধিক প্রচারের ফলে উভয় দেশের জনগণের মধ্যে যাতে কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি না হয় সে ব্যাপারে সৌদি সরকার শুরু থেকেই সতর্ক ছিল। ফলে সৌদি গণমাধ্যমে এ বিষয়ে দৃশ্যমান সংবাদ পরিবেশিত হয়নি।
সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকের পর রিয়াদে নিযুক্ত বাংলাদেশের কাউন্সিলর (শ্রম) ড. এমদাদুল হক প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. জাফর আহমেদ খানের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ থেকে আগত শ্রমিকরা সৌদি আরবে এসেই পালিয়ে নির্ধারিত কোম্পানির বাইরে অবৈধভাবে কাজ করে এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। এ জন্য তিনি অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় এবং কর্মী বাছাইয়ের অস্বচ্ছতাকে দায়ী করেন। বাংলাদেশের শ্রমমন্ত্রীর সৌদি আরব সফরের পর সৌদি আরবে অধিক হারে বাংলাদেশের জনশক্তি প্রেরণ ও শ্রমবাজার উন্নয়নের লক্ষ্যে উপর্যুক্ত বিষয়গুলোসহ জনশক্তি বাছাইয়ে অপরাধীদের অ্যান্টিসিডেন্ট পরীক্ষা, স্ক্রিনিং কাজে স্বচ্ছতা, স্মার্টকার্ড চালুর সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে সৌদি উপমন্ত্রী জানতে চান।
সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া গ্রুপের সংঘর্ষের তদন্ত প্রতিবেদন
সৌদি আরবের রিয়াদের হাইয়াল ওজারা (হারা) এলাকায় ৪, ৫ ও ৬ জুলাই বাংলাদেশি নাগরিকদের সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া গ্রুপ দফায় দফায় হামলা-পাল্টা হামলা ও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। হাঙ্গামাকালে উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে লাঠিসোটা, কিরিচ, রামদা প্রভৃতি ব্যবহার করে। এতে ছয় বাংলাদেশি গুরুতর আহত হন। এ ঘটনার পর সৌদি পুলিশ ওই এলাকায় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রায় ৬০ বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করে। আহত ছয় বাংলাদেশি বর্তমানে রিয়াদে অবস্থিত সেন্ট্রাল হাসপাতালে (সমুচি হাসপাতালে) এবং আল ইমান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ঘটনার তদন্ত করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. জাফর আহমেদ খানের কাছে পাঠানো প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করে। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, হারা রিয়াদ শহরের একটি বাণিজ্যকেন্দ্র। এখানে অনেক বাংলাদেশির ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। রিয়াদে বসবাসরত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগের বাসস্থান এ এলাকায়। হারা এলাকায় বসবাসকারী প্রবাসীদের মধ্যে কিছুসংখ্যক বাংলাদেশি স্থানীয় ম্যান পাওয়ার ব্যবসা, থাইল্যান্ড লটারি, ফানা লটারিতে জড়িত বলে জানা যায়। তাদের কেউ কেউ নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। (সূত্র: সমকাল ২৬/১২/২০১২)




