ব্যবহারকারীর দেয়া রেটিং: / 0
খারাপউত্তম 

খোলা চিঠি

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্প বাংলাদেশের বিশেষ করে দেশের দক্ষিণ ও পশ্চিম অঞ্চলের অর্থনৈতিক, সামাজিক তথা সার্বিক উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এ প্রকল্প হাতে নিয়ে আপনার সরকার প্রজ্ঞা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে। বর্তমানে এ প্রকল্পের প্রধান সমস্যা হলো অর্থায়নের সমস্যা। সমস্যাটি গত এক বছরের বেশি ধরে চলছে, এখনও কোন সমাধান হয়নি।
১৯৭১ সালে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগে সিনিয়র লেকচারার ছিলাম। সেদিন আমরা নিরস্ত্র বাঙালীরা একটা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সুসজ্জিত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ করার দৃঢ় সঙ্কল্পের কথা ঘোষণা করি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় পৃথিবীর বৃহত্তম শক্তি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের সরকার (জাপান নয়) আমাদের বিরুদ্ধে ছিল। তারা তাদের সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েছিল আমাদের ভয় দেখানোর জন্য, কিন্তু ভয় আমরা সেদিন পাইনি। মুক্তিযুদ্ধে আমরা জয়ী হয়েছিলাম। আর আজ পদ্মা সেতুর মতো ছোট একটা প্রকল্প নিয়ে আমরা ভয় পাচ্ছি। আপনি ডাক দিয়েছেন ‘পদ্মা সেতু আমরা করব এবং এর অর্থায়ন আমরা নিজেরাই করব... ইনশা আল্লাহ।’ দেখেছেন বাঙালী জাতি আবারও জেগে উঠেছে। পদ্মা সেতু নির্মাণে বিশ্বব্যাংকের আপত্তির কারণ আমরা বুঝি। মাহাথীর মোহাম্মদের সময় বিশ্বব্যাংক মালয়েশিয়াকে এমনিভাবে ভয় দেখিয়েছিল। কিন্তু মাহাথীর মোহাম্মদ বিশ্বব্যাংককে ভয় করেননি। বিশ্বব্যাংক তথা আমেরিকা চায় আমরা তাদের কাছে নত হই। তাদের পায়ে পড়ি। কিন্তু নত আমরা হব না; ভয় আমরা পাই না। বাঙালী দমতে জানে না।
আমার প্রস্তাবের মৌলিক দিকটি হলোÑআমরা বাংলাদেশীরা সকলে মিলে পদ্মা সেতু প্রকল্পের শতভাগ অর্থায়ন নিজেরাই করব। তবে বাইরের কেউ এতে অংশগ্রহণ করতে চাইলে স্বাগত জানাব, কিন্তু তা হতে হবে আমাদের শর্তে ও স্বার্থে। আমার প্রস্তাবের রূপরেখাটি টেবিল আকারে নিম্নের চারটি টেবিলে দিয়েছি। টেবিলগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, পদ্মা সেতু নির্মাণে অর্থের (দেশী ও বিদেশী মুদ্রাসহ) কোন অভাব হবে না। প্রয়োজন শুধু নিখুঁত পরিকল্পনা এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা।
টেবিল নং-১ : পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্পর্কিত কিছু তথ্য
টেবিল নং-২ : পদ্মা সেতু নির্মাণে বাংলাদেশের (অভ্যন্তরীণ) উপার্জনশীল জনগণ কর্তৃক অর্থ বিনিয়োগের প্রস্তাব।
নোট: বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নের প্রেক্ষিতে উপার্জন শ্রেণীর মধ্যে যে পরিমাণ বিনিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে তা বাস্তবভিত্তিক এবং তা দেয়া সম্ভব। নিম্ন আয়ের একজন দিনমজুর বা একজন রিক্সাচালকের পক্ষে ১০০ টাকা বিনিয়োগ করা খুবই সম্ভব। ইচ্ছা করলে তারা এর থেকে আরও বেশি বিনিয়োগ করতে পারেন। সেতু নির্মাণের যে ব্যয় ধরা হয়েছে ( টেবিল নং-১) প্রস্তাবিত বিনিয়োগ থেকে যে টাকা উঠবে তা অনেক বেশি। আশা করা যায় বাংলাদেশের বিনিয়োগের টাকার পরিমাণ আরও বেশি হবে।
টেবিল নং-৩ : বাংলাদেশ সরকার ও বিভিন্ন সংগঠন/প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিনিয়োগের প্রস্তাব।
টেবিল নং-৪ : বৈদেশিক মুদ্রার যোগান
১। পদ্মা সেতুর নিখুঁত পরিকল্পনা :
সেতু পরিকল্পনার কাজ এতদিনে নিশ্চয় শেষ হয়ে গেছে। তবুও এখনও দেখা দরকার যাতে প্রকল্পের টেকনিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং দিক নিখুঁত হয় এবং যাতায়াতের কোন সেক্টর যেন বাদ না পড়ে। পদ্মা সেতু দিয়ে যাতায়াতের একটা গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর হলো রেললাইন। এটা যাতে পরিকল্পনার মধ্যে থাকে তা এখনই দেখা দরকার। যমুনা সেতুর অভিজ্ঞতা আমাদের কাজে লাগাতে হবে।
২। পদ্মা সেতু ফান্ড ও নির্মাণ কাজের ব্যবস্থাপনা:
যেহেতু পদ্মা সেতু নির্মাণের বিষয় নিয়ে জনমনে ইতোমধ্যে কিছুটা সংশয় সৃষ্টি হয়েছে অতএব প্রকল্পের ফান্ড ও সর্বস্তরের কাজের ব্যবস্থাপনা এমন লোকের হাতে এবং এমন স্বচ্ছভাবে হতে হবে যাতে জনগণের ভেতর আস্থার সৃষ্টি হয়। প্রকল্পের ফান্ড ও কাজের ব্যবস্থাপনা নিম্নভাবে করা যেতে পারে।
সেতু প্রকল্পের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তসমূহ এবং ব্যাপক ব্যবস্থাপনার জন্য পদ্মা সেতু কমিশন (চধফসধ ইৎরফমব ঈড়সসরংংরড়হ) নামে একটা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিশন গঠন করতে হবে যার চেয়ারম্যান হবে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। কমিশনের অন্যান্য সদস্য হবে : (১) অর্থমন্ত্রী, (২) সড়ক পরিবহনমন্ত্রী, (৩) পরিকল্পনামন্ত্রী, (৪) বাণিজ্যমন্ত্রী, (৫) বাংলাদেশের একজন নামকরা সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, (৬) একজন নামকরা অর্থনীতিবিদ, (৭) একজন বিশিষ্ট আইনবিদ এবং (৮) একজন বিখ্যাত চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্ট। সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব হবেন এই কমিশনের সদস্য সচিব।
পদ্মা সেতু কমিশনের অধীনে চারটি কমিটি থাকবে যারা সেতু পরিষদের সিদ্ধান্তসমূহ কার্যকর করবেন এবং সকল কাজ দেখাশোনা করবেন। এই কমিটিগুলো হলো : (১) ফান্ড ব্যবস্থাপনা কমিটি, (২) টেন্ডার কমিটি, (৩) টেকনিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং কমিটি এবং (৪) দুর্নীতি পর্যবেক্ষণ কমিটি।
ফান্ড ব্যবস্থাপনা কমিটি: এই কমিটির প্রধান কাজ ও দায়িত্ব হবে সেতু প্রকল্পের ফান্ডের ব্যবস্থাপনা করা। বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্র্নরকে এই কমিটির চেয়ারম্যান করা যেতে পারে।
টেন্ডার কমিটি: এই কমিটির প্রধান কাজ হবে আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে অনুরূপ সেতু নির্মাণের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নির্মাণ ফার্ম বাছাই করা যাতে কোন রকম দুর্নীতি না হয়। নির্মাণ ফার্মের নিয়োগদান করবেন পদ্মা সেতু কমিশন।
টেকনিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং কমিটি : সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে সেতু বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে এবং বুয়েট বা অন্য কোন ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় হতে সেতু নির্মাণ বিষয়ে অভিজ্ঞ দুইজন প্রফেসরসহ এই কমিটি গঠন করা যেতে পারে। সেতু নির্মাণের যাবতীয় টেকনিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং কাজের মান এই কমিটি সর্বক্ষণিক দেখাশোনা করবেন।
দুর্নীতি পর্যবেক্ষণ কমিটি : এই কমিটির প্রধান কাজ হবে পদ্মা সেতু প্রকল্পের কোন স্তরে দুর্নীতি হচ্ছে কিনা তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং তা পদ্মা সেতু কমিশনের কাছে রিপোর্ট করা।
উপরোক্ত কমিটিগুলো তিন মাস অন্তর পদ্মা সেতু কমিশনের নিকট রিপোর্ট পেশ করবে।
৩। সেতু প্রকল্পের জন্য অর্থ উত্তোলনের কৌশলগত পরিকল্পনা ও পদক্ষেপসমূহ :
পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হলো প্রয়োজনীয় অর্থ যোগাড় করা। এর জন্য নিম্নের পদক্ষেপগুলো খুব ফলপ্রসূ হবে।
সরকারের ঘোষণা, প্রচারণা ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ : যেহেতু পদ্মা সেতু আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে করা হবে সেহেতু বাংলাদেশ সরকারকে দেশের সকল জনগণকে (দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত) এবং দেশের সকল শিল্প-ব্যবসা-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের মালিক, সমিতির কাছে আবেদন করতে হবে যাতে তারা সকলে এই প্রকল্পে অর্থ বিনিয়োগ করেন। এই মর্মে সরকারের পক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একটি ঘোষণা দেবেন এবং তা রেডিও, টেলিভিশন, প্রিন্টিং এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার করতে হবে। এই ঘোষণাকে আরও প্রচার ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ভাল ফল পাওয়া যাবে। এ ব্যাপারে নিম্নের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে।
১.পদ্মা সেতু ওয়েবসাইট খোলা হয়েছে। সেখানে আরও নতুন তথ্য দিতে হবে। বাংলাদেশ, বাংলাদেশীদের নিজস্ব অর্থায়নে বাংলাদেশের বৃহত্তম সেতু নির্মিত হতে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশে যাতায়াতে ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ সেতুর ভূমিকা ওয়েবসাইটে দিতে হবে।
২. পদ্মা সেতু বাংলাদেশীদের জন্য বিনিয়োগের একটা বড় সুযোগ এবং এ সুযোগ সবার জন্য খোলা। একজন সামান্য কৃষক, শ্রমিক বা রিক্সাচালক মাত্র একশত টাকা বিনিয়োগ করে পদ্মা সেতু নির্মাণে শরিক হতে পারেন। অথবা একজন কোটিপতিও এই সুযোগ গ্রহণ করতে পারেন। এ কথাগুলো সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে সরকারকে। যারা শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তাঁরা পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন। এই দৃষ্টিভঙ্গি অর্থনীতিবিদদের দ্বারা প্রচার করতে পারলে ভাল ফল পাওয়া যেতে পারে।
৩. প্রিন্ট মিডিয়া, রেডিও, টেলিভিশনের মাধ্যমে পদ্মা সেতু প্রকল্পের উপকারিতা ও অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ সম্পর্কে বর্ণনা, সাপ্লিমেন্ট ও প্রবন্ধ প্রকাশ, আলোচনাসভা ইত্যাদির আয়োজন করা যেতে পারে।
৪. জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসকদের দ্বারা পদ্মা সেতু অর্থায়ন কমিটি গঠন করে এ প্রকল্পে অর্থ বিনিয়োগ বাড়াবার ব্যবস্থা করা যায়। অনুরূপভাবে গ্রামাঞ্চলে ইউনিয়ন পরিষদ এবং শহরাঞ্চলে ওয়ার্ড লেভেলে কমিটি গঠন করে প্রচার করা যেতে পারে।
৫. বিদেশে বাংলাদেশী দূতাবাসগুলোকে এ বিষয়ে দায়িত্ব দিতে হবে। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই বাংলাদেশীরা কর্মরত আছেন। আবার কোন কোন দেশে তাঁরা ব্যবসা-বাণিজ্যের সাথেও যুক্ত আছেন, বিশেষ করে ব্রিটেন ও আমেরিকার মতো দেশে। দূতাবাসগুলোকে দায়িত্ব দিতে হবে সংশ্লিষ্ট দেশে কর্মরত বাংলাদেশীরা যাতে পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থ বিনিয়োগ করেন তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
৬. সরকার ব্যাংক, বীমা এবং অন্যান্য ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিক সমিতির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করবেন এবং তাদেরকে পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থ বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত ও উদ্বুদ্ধ করা যেতে পারে।
৭. পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থ বিনিয়োগ প্রচারে ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলো ভূমিকা রাখতে পারেন। এ দুটো গণসংযোগ মাধ্যমকে কাজে লাগানোর জন্য সরকারকে উদ্যোগী ভূমিকা নিতে হবে।
৮.সরকারের ঘোষণা ও প্রচারণার মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হবে যে, জনগণ পদ্মা সেতু প্রকল্পে যে অর্থ প্রদান করবেন তা হবে বিনিয়োগ, দান নয় এবং মেয়াদ শেষে লাভসহ ফেরত পাবেন। সরকার ট্রেজারি বন্ডের মাধ্যমে এই টাকা গ্রহণ করবেন। দেশে ও বিদেশে ব্যাংকের মাধ্যমে এবং দেশের গ্রাম অঞ্চলে ব্যাংকগুলোর শাখা হতে যাতে এই বন্ড কেনা যায় তার ব্যবস্থা করতে হবে। তাতে গ্রামের কৃষকরাও বিনিয়োগ করতে উদ্যোগী হবেন।
ওপরের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করলে যে টাকা উঠবে তা দিয়ে সরকার শুধু একটা পদ্মা সেতু নয় বহু সেতু নির্মাণ করা সহজ হবে এবং আরও অন্য প্রকল্প হাতে নিতে পারবেন।
৪. পদ্মা সেতু নির্মাণে বৈদেশিক মুদ্রা যোগানোর ব্যবস্থা :
টেবিল নং ৪ হতে দেখা যায় যে, বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশীরা প্রতিবছর যে বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠান তাতে পদ্মা সেতুর বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন মেটাতে সাহায্য করবে।
১. বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন বাড়াবার জন্য রফতানি বাড়াবার ব্যবস্থা নিতে হবে। এর জন্য শিল্প, বাণিজ্য ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরকারকে পরামর্শ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
২. বৈদেশিক মুদ্রার খরচ কমাতে হবে এবং পাচার বন্ধ করতে হবে। পদ্মা সেতু নির্মাণ সময়ের মধ্যে আমাদের কিছুটা কৃচ্ছ্রসাধন করতে হবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দেশবাসী বিশ্বাস করে আপনার দৃঢ় সঙ্কল্প, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং সাংগঠনিক দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আপনি বাংলাদেশের (দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত) সকল জনগণকে এবং শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্য মহলকে পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থ বিনিয়োগ করতে উদ্বুদ্ধ করতে পারবেন। (The Daily Janakantha / 25 July)